মহাসঙ্গম যাত্রা
স্রোতকে খরস্রোতে পরিণত করতে
আমরা দুজনেই ঢেউ তুলছি ।
আমাদের নৌকা এগিয়ে যাক
অনুকূলে
মহাসঙ্গমে
অস্থির প্রচেত কত দৃশ্য রচনা করছে
মহাকালের বাল্মীকি উচ্চারণ করছে
কত স্তব স্তুতি
শুনতে শুনতে আমাদের সংসারেও
প্লাবন আসছে
ছোট্ট সংসার অনন্তের ইচ্ছার বাঁশিতে
বেজে উঠছে
হাঃ হাঃ
আমাদের হাসির পাশে কোনো বিস্ময়চিহ্ন নেই
ঝকঝকে জলের ঊরুর মসৃণ আভা
সৃষ্টিতত্ত্বের সংকেতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে
আমরা স্পন্দিত হচ্ছি মহাসঙ্গমের পূর্বমুহূর্তের একান্ত আলাপে

সব নারীরাই কাছে ডাকছে
আমি যেতে পারি না
আমার সব ইচ্ছা জল হয়ে যায়
শস্যচাষ চলতে থাকে
এইমাঠে আমিই কৃষক
আমাকে চেনে না কেউ
জল গড়ায় , জল গড়ায়
জল অবিশ্বাস
অবিশ্বাস সাপ হয়ে আসে
কিছু কিছু ছোবল রক্ত ঝরায়
বিষও থাকে
বিষও একদিন জল হয়ে চোখে নামে
সব নারীরাই তরুলতা
ফুল ফোটায়
হাসে
ইশারায় কথা বলতে থাকে
তৈমুর খান
Reviewed by Pd
on
মার্চ ২৩, ২০১৬
Rating:
Reviewed by Pd
on
মার্চ ২৩, ২০১৬
Rating:

দুটি কবিতাই পড়লাম। মানবজীবনের নিগূঢ় তত্ত্ব কবিতাদুটি থেকে উঠে এসেছে যা দার্শনিক চেতনারই প্রভাবজাত।
উত্তরমুছুনদুটি কবিতাই পড়লাম। মানবজীবনের নিগূঢ় তত্ত্ব কবিতাদুটি থেকে উঠে এসেছে যা দার্শনিক চেতনারই প্রভাবজাত।
উত্তরমুছুন