
দৈবকীর মতো কংসের কারাগারে
প্রতিদিন হাতের মুঠোই আসে
এসেই হারিয়ে যায় শূণ্য থেকে মহাশূণ্যে
‘আর একটু শক্ত করে ধরো’ এই পরামর্শদাতাদেরও
হারিয়ে যায়- শূণ্য থেকে মহাশূণ্যে।
আত্মার অতলে ডুব মেরে খুব গভীরে নেমে গিয়ে
দেখেছি- ওখানে তার ছায়া পড়ে থাকে
যেমন দৈবকীর পূর্বজন্মের ছায়া লেগেছিলো
কংসের কারাগারে।
আমার ইহজন্ম নেই, পূর্বজন্ম কিংবা পরজন্মও নেই
শুধু আছে হাতে পাওয়া
আর হারিয়ে যাওয়া।
আমার আর কোন ভয় নেই
আমার আর কোন ভয় নেই
আমি স্বপ্নদ্রষ্টার মতো দেখে ফেলেছি আমার ভবিষ্যৎ
একটা প্রজাপতির ডানায় ভর করে
উড়ে যাবো আকাশনীলে
একটা রাতকে সাক্ষী রেখে হারিয়ে
যাবো নতুন একটা সূর্যসম্ভব দিনের ভেতর
বাতাসের শরীর কেটে কেটে গোলাপের
ঘ্রাণ করবো জমা
পৃথিবীর তাবৎ গাছের বাকলে লিখবো
আমার নাম
আমার আর কোন ভয় নেই
আমি স্বপ্নদ্রষ্টার মতো দেখে ফেলেছি আমার ভবিষ্যৎ
প্রেমের দেবী বর দাও
কষ্ট তো আমার সেখানেই এবং তোমারও
প্রেমের দেবী আফ্রোদিতে থাকতেও কেন এমন বিরহ যাপন?
ওদেবীর মনে যতটুকু প্রেম ছিল আমরা সবাই একসাথে
আমাদের সতিত্ব বিসর্জন দিয়ে মন্দিরে মন্দিরে
হৃদয় ও দেহ খুলে থাকিনি কি বসে?
তবুও কেন সবকটি গোলাপ ফোটে ওঠে না,
কেনই বা সবগুলো প্রদীপ শেষ পর্যন্ত প্রজ্বলিত থাকেনা
কিংবা
কেন সব হৃদয়ে বেজে উঠেনা সমান সূরে শ্যামের বাঁশি?
প্রেমের দেবী আফ্রোদিতের শত সহস্র মূর্তি
গড়ে তুলি জ্ঞানে-অজ্ঞানে প্রতিটি হৃদয়পিঞ্জরে
অথচ দেবী কেন ফিরিয়ে দেন
কেন বিরহ ব্যথা-যন্ত্রনার মতো শব্দগুলো বিলুপ্ত হয়ে যায়না
প্রেমের শব্দ তালিকার মধ্য থেকে?
আর বইতে পারিনা...
দেবী বর দাও,
শ্যামের বাঁশি একবার বেজে উঠে যেন আর না থামে।
রাজশাহী ।
আজম মাহমুদ
Reviewed by Pd
on
নভেম্বর ৩০, ২০১২
Rating:
Reviewed by Pd
on
নভেম্বর ৩০, ২০১২
Rating:
কোন মন্তব্য নেই:
সুচিন্তিত মতামত দিন