তামিম মাহামুদ








পাখি হয়ে বাঁচি


আমার জানালার ধারে রোজ একটি পাখি এসে বসে।
নিঃসঙ্গ; আবৃত পালকে -
জন্মাবধি এক নতুন বিস্ময়। প্রাচীন পত্রপুট
পান করে নিরলস প্রমিত উচ্চারণে অনবদ্য সপ্তমীর গান।
আজকাল দৃশের চোখে উচ্চাঙ্গ ক্যামেরা রেখে রাত কাটে ঈশ্বরের
মাটি তাকে দিয়ে গেছে যতোটুকু ধুপ
(সেটাই আরাধ্য ছিল)
নির্বিঘ্নে গন্ধে ভিজে একদিন রবু শেঠ-ই চেয়েছিল পাখি হতে
নিঃসঙ্গ - জানালার গ্রিলে।
তার সাথে কথা বলে অনায়াসে জেনে গেছি-
বিষণ্ণ পালকের সজ্জিত প্রানে অফুরন্ত বেদনার নীল।
পাখি উড়ে গেলে পর-
পাথুরে শহর ছেড়ে; গোপন প্রতিমার স্তনে
নিটোল ভাঁজের মতো-
আমিও চুপি চুপি পাখি হয়ে বাঁচি ।।




আমি সব কিছু মেনে নিয়েছিলাম


আমি তো সব কিছু মেনেই নিয়েছিলাম
আমাকে নিভৃতে ভুলে যাওয়া, কষ্টি পাথরের মত নির্ভেজাল
বেদনার ধূপ...
গন্ধে নিরুত্তাপ ভেসে যাওয়া।
কতকাল এভাবেই ডুবে থাকা সূর্যের সাথে কেবলই নিমজ্জিত হয়েছি
নীলিমার রণে।
তোমাকে ফেরাতে চেয়ে শ্বাপদ হয়েছি পুরাণের চোখে-
আমার সমস্ত যন্ত্রণার বলিরেখা মুছে কৃষ্ণচূড়ার রঙ্গে বার বার
করেছি নতুন
কথা দিয়েছিলে একদিন গান্ধারের রাতে দ্রৌপদি হবে,
...
হও নি কখনো;
চোখে ধুলো পরলে বলেছিলে ধুয়ে দেবে প্রতিমার জ্বলে,
দাও নি কখনো;
আমি শুধু শুধু জল ঢেলে কাঙ্ক্ষিত রাতের চোখে অন্ধ হয়েছি।
আমি তো চলে যেতেই এসেছিলাম
চলে যেতে যেতে অন্ধ বনিক দুরের আকাশে নীল চাঁদোয়ার ঘ্রাণে
আবার না হয় নক্ষত্র হতাম !!



ঢাকা।

তামিম মাহামুদ তামিম মাহামুদ Reviewed by Pd on নভেম্বর ৩০, ২০১২ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

সুচিন্তিত মতামত দিন

banner image
Blogger দ্বারা পরিচালিত.