ঐশী দত্ত





বলেনা যদিও


যদিও জানি

পা হড়কে পড়ে গেলেই

বুকের ভেতর বেড়ে চলে
ভয়ের সৌন্দর্য।

ধীর ঋতুচক্র আর নিঁখুত গাছপালার

দিকে ঘাড় ঝুঁকিয়ে
আমিও ভেবেছি

একদিন জলতলে বৃহত্‍ কিছু কথা
ছেড়ে
মিশুকে করবো দূরের মানুষ ।

ভুলে যাওয়ার কোন নির্দিষ্ট দিন নেই!

কিছু মনে পড়ে গেলেই
চেয়ে দেখি,
সকালবেলায় রাস্ট্রের গায়ে দোষ ছেড়ে
নিজেকে শুদ্ধ করছে অসংখ্য অন্ধ মানুষ ।

এইসব পুরোনো অভ্যাস !

যে রাতে ধর্ষিতা গুমরে কাঁদে
সে রাতে কোন ধর্ষক আত্মহত্যা করে না ।

জাগো পুরুষ
আগামীর ভোর-দোরে
এখনি আওয়াজ তোল

যে পথ দিয়ে তুমি হেঁটে যাবে
সে পথে
নেমে আসে যদি ঘোর অন্ধকার
কীভাবে হেঁটে যাবে বলো আজ?

   ও আমার টনটনে জ্ঞান
   সয়ে যাও ।

 মন হড়কে পড়ে গিয়েই
 আমার প্রেমিক,
আর আমাদের অজ্ঞাত যাত্রা
খুলে দেয়
বেঁচে থাকার দিন;

এখন কেউ আর মৃত্যুর কথা বলে না।


প্রবীণতা


সমস্ত কিছু খেয়াল থেকে আসে
আসে কিছু দিকচিহ্নহীন

প্রতিক্রিয়া গড়িয়ে গেলেই জলের গায়ে শরীর,
শরীর জুড়ে সন্ধ্যা
একটা পুরোনো সম্পর্ক
একটা সূর্যাস্তের ধবধবে সময়
একটা নতুন ভোর
দিন শেষে আসে আলোর মুক্তি ।

তখন থেকেই আমরা কান্না জমায়
পৃথিবীতে নাকি জলের সঙ্কট !

এ কথা বলেছিল পাহাড়।

এখন আমরা পাহাড়ের উপর দিয়ে
সকাল জাগায় পরিষ্কার ভাষায়।

সিঁদুর খুলে শব্দ করি শাঁখে
শাঁখের আওয়াজ,
আর আমাদের প্রবীণতা
উপুড় হয়ে ঈশ্বর খোঁজে;

হে প্রবীণতা, বিনা কারণে ঈশ্বরকে ডেক না
ঈশ্বর কিন্তু আমাদের মতন সঙ্গপ্রিয় নয় !


বাল্যপ্রেমিক


উপেক্ষা করার আগেই

কে জানে কীভাবে তুমি লিপিবদ্ধ করেছ
ভাঙনের সুর !

জীবন থেকে যা কিছু সম্ভব
যা কিছু গা-ঘেষা

সমস্ত কিছু ফুরিয়ে আসছে...

ফুরিয়ে আসছে আগামীকাল..

ফুরিয়ে আসছে সামলে রাখা
বুকের মধ্যে বুক
হাতের সঙ্গ পায়ের সঙ্গ
পবিত্র অভিমান
একটা সৌন্দর্য
স্বস্তির ভেতর আদান প্রদান।

হে বাল্য প্রেমিক,
তুমিই আমার ব্যর্থ অনুসন্ধান !



ঐশী দত্ত ঐশী দত্ত Reviewed by Pd on জুলাই ১১, ২০১৫ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

সুচিন্তিত মতামত দিন

banner image
Blogger দ্বারা পরিচালিত.