বরং সে
খাটে যে দেহ তা ঘেঁটে কপর্দকহীনতা
তারা ফোটা রাতে তারা নেই এমন অন্ধের বুলি,
বরং সে উড্ডয়নী ভ্রাম্যমান সিঁড়ি খুঁজতে খুঁজতে
দৃঢ় বিশ্বাসের কল্পিত রেখার অনুগামী হয়ে পৌঁছে যায়
প্রকৃতির ঈর্ষনীয় উচ্চে -
পিছে লেগে থাকা বিড়াল পায়ীদের বাঁ-হাত দেখিয়ে।
ইতস্তত কুমিরের ভি-হা-মুখে ছুঁড়ে মেরে ছাই।
উড়ো আশঙ্কা বা বাঁকা দৃষ্টির চক্করে যদি পড়ে
তার এগিয়ে যাওয়ার পথ, সজ্জনের উদ্দীপনা
তখন গা ঘেঁষে যদি গিরিশৃঙ্গ বিজয়ের ফুলন্ত উদ্যম
মহীরুহ সমর্থন দেয় তীর গতি আশীর্বাদে
তাহলেই দেখবে জাতি-স্বকীয়তা অক্ষুন্ন প্রয়াস
সমূহ মাসের রক্তে ভেজা সে প্রতীকে।
সামর্থ্যে বেড় না পাওয়া গহন অরণ্যে
বা পাতার অসাবধানতায় দিব্যি বেড়ে ওড়া বিষয়াবলীর
নির্জন ঝোপেও সতর্ক পা ফেলা সাধকের ধর্ম।
হোঁচটের চিকন শঙ্কায়
আষ্টেপৃষ্ঠে এঁটে নেয় সেফটি বেল্ট ;
হাজারো ভাস্কদা গামাকে বানিয়ে মানসিক সঙ্গী
অঙ্গাঙ্গি সাহসে ঝোলে যেটুকুন ফল,
চক্ষুষ্মান দেয় এর বদলা।
তবে, নামের নগরে এরা নয় খণ্জুরে ভিখারী।
বন্ধুর দৃষ্টি
উঁচু অবস্থান থেকে দু'টি দৃষ্টি যদি
অভিন্ন বিন্দুতে মিশে যায় অগোচরে
ফাঁপা ভাব কমানোর চলে কথা-চাল
ঋতু মন্রণায় তখন দুর্বার দাবি
উষ্ণ-গুঞ্জরণে অভিমুখে
যে দাবির বাতাসের অনুকূল স্রোতে
দু'চিত্তের দুলতে থাকা নায়ে
ফুলে ওঠে পাল –
ডালে ফোটে কলির লক্ষণ, পেকে আসে
ক্ষেতের ফসল ; কানা-ঘুষা বাড়ে, অবৈধ নবান্ন।
আগায় নি বেশি দূর, সায় দেয় প্রেম,
কাঁধে কাঁধে মিলে গেছে জোয়াল যেহেতু।
আর কুঁড়েঘর থেকে এসে
মিললো যারা তে-মাথায়
কথা বললো, এক ঢেউ দূরত্ব বজায়ে
সেখানে ঝড়ের প্রকারন্ত বিশ্লেষিত,
বোলতা-চোখ, বাঁকা চোখ খুঁচিয়ে ছড়ালো
নাকের বিপক্ষে বার্তা, হানলো
চক্ষুশূল বোমার আঘাত।
জানো কি, দৃষ্টিরা এমন বন্ধুর কেনো
পাহাড়ী নুড়ির সঙ্গে কি এদের সুদীর্ঘ সংস্রব ?
সমূহ দৃষ্টির অলি
পেখম ছাড়াই এর মূল্য বুঝতো অসহায় চোখ,
আর বাসন্তীর ঘ্রাণ যুক্ত প্রেরণাদি
সাড়া দিলে পায়ে কিংবা গায়ে
বিমান যাত্রীর বাসনা ও তার মাঝে
কতো চক্রাকার মেঘ আর গম্বুজের বন্ধুরতা
বলো দেখি গণিত খেচর !
তাকে তুলে ধরতে, খুলে বোঝাতে সৌষ্ঠব
তুলির তখোড় নৈপণ্যও মৃতপ্রায়।
উচ্চতার আধা ইঞ্চি খুঁত
চুলের উত্তাল ঢেউয়ে আর মুচকি দাঁতের দৃপ্তিতে
ফাঁড়ি পথ ভুলে দু'বার ডিগবাজি খেয়ে
সটকে পড়ে মৃত জলাধারে।
রূপ, রস, গুণানুবাদের মিটারে পরী বা মৎসসুন্দরীও
ঢেউয়ের ওপরে দাঁড়িয়েও তার কাছে কতো বেটে !
এমন অধরে কনিষ্ঠের কপালে দু'অর্ধ্ব চাঁদ আঁকা শব্দে
শকে না প্যাচায় কার বৈদ্যুতিক তার ?
সমূহ দৃষ্টির অলি একযোগে উড়ে গিয়ে
লুকিয়ে লুকিয়ে খোঁজে সেই শব্দ-মধু।
তোফায়েল তফাজ্জল
Reviewed by Pd
on
জুলাই ১১, ২০১৫
Rating:
Reviewed by Pd
on
জুলাই ১১, ২০১৫
Rating:

কোন মন্তব্য নেই:
সুচিন্তিত মতামত দিন