আবার এসে গেল একুশে ফেব্রুয়ারী। অবশ্য একুশ এখন আর শুধু বাংলা ভাষার জন্য আত্মবলিদানের শহীদদিবস নয়! শুধুই আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের একটি ঐতিহাসিক দিবসও নয়! ২১শে ফেব্রুয়ারী এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ফলে নেহাৎই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন আবেগের বিষয় বলে একুশকে আর পাশ কাটিয়ে যাওয়ার উপায় নেই। ২১শে ফেব্রুয়ারীকে এখন সাড়ম্বরে পালন করতেই হবে, না বাংলাভাষার কারণেই নয়, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে মান্যতা দিতেই। এবং একথাও আমাদের স্মরণে রাখা প্রয়োজন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মূল তাৎপর্য বাংলাভাষা কেন্দ্রিক নয় কিন্তু কোনমতেই। বরং দেশ বিদেশের সকল ভাষারই সমান গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতাকে স্বরণে বরণে স্বীকার করারই দিন আজকে। বিশেষ করে আমাদের পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের মতো বহুভাষাভাষী দেশের প্রেক্ষিতে একথা আরও গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ, এই কারণেও যে আবিশ্ব ইংরেজীর বিশ্বায়নে আজ ইংরাজী ভাষার গুরুত্বকেও বিশেষ তাৎপর্যে স্বীকার করার দিন। স্বীকার করার দিন, ভারতবর্ষের প্রেক্ষাপটে প্রধান ও জনপ্রিয়তম সরকারী ভাষা হিন্দীর গুরুত্বের কথাও! এবং আমাদের পশ্চিমবঙ্গে হিন্দী ও ইংরেজীর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও প্রয়োজনীয়তার কথা অধিক গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেই মনে রাখতে হবে ২১ ফেব্রুয়ারী কিন্তু শুধুমাত্র বাংলা ভাষা নিয়ে লাফালাফি করার দিন নয়।
সত্যিই তো আমাদের এখানে ২১শে ফেব্রুয়ারী শুধুমাত্র বাংলা ভাষা নিয়ে মাতামাতি করার দিন নয়। পশ্চিমবঙ্গ তো শুধুমাত্র বঙ্গভাষীর দেশ নয়! এবং এরাজ্যে বাংলাই একমাত্র ভাষা নয়। প্রতিদিন নিয়ম করে সরকারী দূরদর্শনের বাংলা বিভাগেই যখন নিয়মিত উর্দ্দু সমাচার সম্প্রচার করা হয়, রাজ্যের উর্দ্দুভাষী জনগণের মৌলিক অধিকারকে মান্যতা দিতেই। বাহান্নর ভাষা আন্দোলন যতোই উর্দ্দূকেই রাষ্ট্রভাষা করার প্রতিবাদে প্রতিরোধে হয়ে থাকুক না কেন। সে একটি বিদেশী রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন ও ঐতিহাসিক বিষয় বই তো নয়!। আমাদের রাজ্য প্রাদেশিকতা দোষে দুষ্ট নয়। এই রাজ্য থেকে একাধিক হিন্দী উর্দ্দু ইংরেজী সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়ে থাকে প্রতিদিন। রাজ্যবাসীর একটি বড়ো শতাংশের পড়ুয়াদের জন্যে প্রচুর পরিমাণে ইংরেজী হিন্দী এমনকি উর্দ্দূ মাধ্যমেরও বিদ্যালয় রয়েছে। আর উচ্চশিক্ষার দূয়ার তো কেবলমাত্র ইংরেজী মাধ্যমেই খোলে। ফলে শুধু বাংলাভাষাই নয় ২১শে ফেব্রুয়ারীর প্রধান উপজীব্য। তাই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার এই পূণ্যলগ্নে সব ভাষাকেই দিতে হবে শ্রদ্ধাঞ্জলির অর্ঘ! হ্যাঁ সেটাই প্রকৃত বাঙালিত্ব। আমরা অথিতি বৎসল জাতি। মন চাইলে অতিথি নারায়ণের জন্যে আমরা প্রিয়তম জিনিসটিকেও উৎসর্গ করতে দুবার ভাবি না। আর এতো মুখের ভাষা বাংলা!
একদমই তাই, মুখের ভাষাই বাংলা। কাজের ভাষা তো নয়। জীবন জীবিকা লেখাপড়া উচ্চশিক্ষা দেশ-বিদেশের সাথে যোগাযোগ সাংস্কৃতিক আদনপ্রদান ব্যবসাবাণিজ্য অফিস অদালত কোনোকিছুরই তো ভাষা বাংলা নয়! আবার সেই মুখের ভাষাতেই বাংলার সাথে অধিকতর ইংরেজী বা হিন্দীর মিশেল না দিলে সে কথায় চিড়ে ভেজে না। না প্রেম নিবেদনেও এই ভাষার উপর আর ভরসা রাখা যায় না। তাই তো এইরকম ভরসাহীন ভাষার উপর নির্ভর না করে আমাদের বাবা মা অভিভাবকরা আমাদের কথা ফোটার সাথে সাথেই, এ-য়ে অ্যাপেল; বিয়ে ব্যাট শিখিয়ে দিতে শুরু করেন! বিড়াল দেখিয়ে জানিয়ে দেন সিয়ে ক্যাট! দুধের শিশুকে হোয়্যার ইজ য়্যুর বেলী জিজ্ঞাসা করার সঙ্গে সঙ্গেই শিশু জামা তুলে পেট দেখিয়ে দিলেই কোল্লা ফতে। বাবা মায়ের আনন্দের চোখে মুখে তখন টুইঙ্কল টুইঙ্কল লিটিল স্টার!
শুধু জানা যায় না বাংলার বিধাতাও তখন বাংলা ভুলে গিয়ে সবিস্ময়ে স্বগতোক্তি করেন কিনা হাউ আই ওয়ান্ডার হোয়াট ইউ আর বলে! সত্যিই বড়ো বিস্ময় লাগে... তবু আমরা স্বরবর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণের আগেই কত সহজে কত স্বাভাবিক ভাবেই না ছাব্বিশ লেটারের আলফাবেটে পারদর্শী হয়ে যাই হাঁটি হাঁটি পা পা করেই। হ্যাঁ ঘরে ঘরেই এই একই চিত্র। আর সেই চিত্রের জৌলুস পারিবারিক সমৃদ্ধির সমানুপাতে ঝকমক করতে থাকে। এটাই সেই বাঙালিত্ব! যে বাঙালিত্বে একুশ কেবল মাত্র বাংলাভাষার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলির তিথি নয় আর। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বিগত দশকে তাই রাজ্যের প্রধানতম সংবাদ দৈনিক, যা পড়তে হয় নইলে পিছিয়ে পড়তে হয়, তারই সম্পাদকীয়তে অগ্রহায়ণের কোন একদিন খুব সঙ্গত কারণেই বলা হয়েছিল, ইংরাজী হউক বাঙালির মাতৃভাষা। আমরা বলি, হউক কেন তাহা তো দিনে দিনেই প্রতিনিয়ত হইয়াই চলিতেছে! দুধের শিশুকে প্রথম তো সেই ভাষাতেই হতেখড়ি দেওয়া হইয়া থাকে বাঙালির ঘরে ঘরে। অধিকাংশ শিক্ষিত বাঙালি পরস্পরের সহিত তো সেই ভাষাতেই সুখদুঃখের কথা আদান প্রদান করিতে যথেষ্টই শ্লাঘা বোধ করিয়া থাকেন। এহেন সেই অশ্বমেধ ঘেড়ার জয়রথ থামাইবে এমন সাধ্য কাহার!
দায়ই বা কার। দায়িত্বই বা কার। তাই বস্তুত ‘এমন দেশটি কোথায় খুঁজে পাবে না’কো তুমি’ কি অব্যর্থ বেদবাক্য! পৃথিবীর ইতিহাসে এমন আর কোন দেশ রয়েছে যে দেশের দুধের শিশুদেরকে আহ্লাদে আটখানা হয়ে নিজ ভাষার বর্ণমালা শেখানোর আগেই কোনো একটি বিদেশী ভাষার বর্ণমালা অধিকতর নিপুণ অধ্যবসয়ে সযতন নিষ্ঠায় এমন বিপুল উৎসাহ ও উদ্দিপনায় শেখানোর চেষ্টা করা হয়? সে আমার বাংলাতেই। আর সেই বাংলাতেই একদিকে মাতৃভাষার অধিকারে মানুষ প্রাণও যেমন দিতে পারে অন্যদিকে নিজেই নিজের ভাষা ব্যবহার করতে এইভাবেই সলজ্জ আতঙ্কে পিছিয়ে যেতে থাকে ক্রমাগত। বিশুদ্ধ বাংলা বলা আজ আর বিশুদ্ধ গর্বের বিষয় নয়। বরং নিতান্তই লজ্জার বিষয়, অজ পাড়াগাঁয়ের অশিক্ষিত তকমায় ভুষিত হওয়ারই মতোই। স্বয়ং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ তো কবেই বলে গিয়েছেন, ইংরাজী না জানা; বাঙালির ছেলেদের পক্ষে সবচেয়ে কলঙ্কজনক গালি। সে তো কবেকার কথা। আজ সহরে নগরে অফিসে আদালতে পার্টিতে উৎসবে ইংরাজী নতুবা হিন্দীতে সরগর না হলে সে বড়োই লজ্জার কথা। কে আর সাধ করে এমন সামাজিক লজ্জার কলঙ্কের ভাগীদার হতে চায়? না কেউ না। বাঙালি বড়োই প্রাগ্রসর জাতি। সে সবার আগেই বুঝতে পারে কখন কার ভাষা আদপকায়দা পোশাক পরিচ্ছদ চলাফেরার ধরণ ভঙ্গিমা রপ্ত করতে হবে। কার ভাষার কতটা গোলামী করতে পারলে কতটা বেশী আখের গুছিয়ে নিতে পারা যায় ভালো ভাবে। তাই এদেশে ইংরেজরা ক্ষমতায় আসার আগে প্রাগ্রসর বাঙালি পাগড়ী চাপকান পরিহিত হয়ে আরবী ফারসীতে দিগ্গজ হয়ে উঠত। আবার ইংরেজদের আগমনের সাথে সাথেই বাঙালিই প্রথম চিনতে পেরেছিল নতুনদিনের প্রভুকে। তাই প্রভুর ভাষা ও আদপকায়দা নকল করতে তাকে দেরী করতে দেখা যায় নি। ঠিক যে কারণে আজকের বাঙালি বিশ্বায়নের ভাষা হিসেবে ইংরেজীকেই মাথায় তুলে নিতে পেরেছে সবার আগেই। সেই ট্র্যাডিশান সমানে চলছে। গর্বের সাথেই তাই বাঙালি ছেলেমেয়েরা ঘন্টার পর ঘন্টা বিপিও কেপিওতে শ্রমদানের সুযোগ অর্জন করে নিতে পেরেছে সম্পূর্ণ আপন যোগ্যতাতেই।
ঠিকই তো বিদেশী ভাষা ইংরেজীতে পারদর্শী না হলে বাঙালি কর্মজগতে প্রবেশ করবে কি করে? জীবনে উন্নতি করতে হলে বিলেতে বা আমেরিকায় যাওয়ার ভিসাই বা জোগার করবে কি বলে? কিংবা যারা ততটা শিক্ষিত হয়ে ওঠার সুযোগ পাবে না, বা মেধায় কুলোবে না, তাদেরও তো হিন্দীতে বলিয়ে কইয়ে হতেই হবে কল কারখানায় কালি ঝুলি মাখতে গেলে। অমনি অমনি তো আর পেটের ভাত জোগার হবে না! আর নয়ত চাষার ভাষায় লাঙল দিতে যাও আল ভেঙ্গে। একুশ তাই বাঙালির জীবনে আত্মিক উৎসব নয়। ভাবাবেগের চোরাবালি মাত্র। কে না জানে বাংলায় কবিতা লিখে পেটের ভাত জোগার হয় না কোনোদিনও। হ্যাঁ অন্তর্জালের বদৌলতে বন্ধু স্বজনের ভিড় বেশী থাকলে লাইক পেতে পারেন এন্তার। কিন্তু তাতে তো সংসার চলবে না। জুটবে না সামাজিক সম্মান, থাকবে না সামাজিক প্রতিপত্তি। আর ঠিক এই বিষয়টিই বহুপূর্বেই বুঝে ফেলেছিলেন আমাদের পূর্বপুরুষেরা। সামাজিক প্রতিপত্তি মানসম্মান অর্জনের ক্ষেত্রে এই বিদেশী ভাষাটির নিরঙ্কুশ গুরুত্বের কথা।
আর সেই নিরঙ্কুশ গুরুত্বের অসীম প্রভাবের তূরীয় আনন্দে আমরা এতটাই এই বিদেশী ভাষাটিকে আয়ত্ব করে ফেলেছি যে আজ আর আমাদের প্রতিদিনের জীবন যাপন চলা ফেরায় স্বরবর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণের কোন প্রাসঙ্গিকতাও নেই, প্রয়োজনও নেই। তবেই না কত সহজে রোমান হরফের কম্পিউটার কীবোর্ডে অঙ্গুলি সঞ্চালনে ছাপা হয়ে যাচ্ছে প্রতিদিনের বাংলা সংবাদপত্র থেকে রোজকার পঞ্জিকা, স্কুল পাঠ্য বই থেকে আকাদেমী পুরস্কার প্রাপ্ত কবির কাব্যকাহিনী। কি প্রয়োজন স্বরবর্ণ ব্যাঞ্জনবর্ণ সম্বলিত আক্ষরিক আলেখ্য পাতা বানানোর প্রযুক্তি আবিষ্কারে মাথা ঘামানোর? তাই বছর ভর ইঞ্জিনীয়র উৎপাদন করেও আজও ঘরে ঘরে পৌঁছোয়নি বঙ্গলিপির আলেখ্য পাতা, যা’তে স্বচ্ছন্দে অঙ্গুলি সঞ্চালনে ফুটে উঠত পারতো আ মরি বাংলা ভাষার দুখিনী বর্ণমালা! যে বর্ণমালার সম্মান মর্যাদা রাখতেই প্রাণ গিয়েছিল তরতাজা বঙ্গযুবকদের একদিন। কি আশ্চর্যম! আমাদের বাঙালি মন মানসিকতার। নিত্য নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার হোক বিদেশে। আমরা আমাদের ইংরেজী ভাষার বুৎপত্তি কাজে লাগিয়ে চট করে বুঝে নেব সেগুলির ব্যবহার পদ্ধতি থেকে প্রয়ুক্তিটিই নকল করার কৃৎকৌশল। হয়তো অদূর ভবিষ্যতেই তৈরী হয়ে যাবে ডিজিটাল টাচ কীবোর্ড ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্যে। সৌজন্যে থাকবে বিদেশী বহুজাতিক। আমাদের আর স্বরবর্ন ব্যাঞ্জনবর্ণের জন্যে রোমান হরফে অঙ্গুলি সঞ্চালনা করতে হবে না। না আমরা সে সব নিয়ে আদৌ ভাবিত নই, কারণ রোমান হরফে এ ডি ও ইউ সহযোগে ‘আদৌ’ লিখতেও আমারা আদৌ বিচলিত নই। বরং আমদের ঠিক মতো শিখে নেওযার অনেক বেশী প্রয়োজন ‘আদৌ’-এর ইংরেজী প্রতিশব্দটি। নিদেন পক্ষে হিন্দী।
সহর কেন্দ্রিক নাগরিক জীবনের পরতে পরতে অবহেলিত হতে থাকুক বাংলা ভাষা, মুছে যেতে থাকুক বঙ্গলিপির আলপনা। রুদ্ধ হতে থাকুক আ মরি বাংলার আলাপন, আমাদের বাঙালিদের তাতে কাকস্য পরিবেদনা। তাই জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সুনীলগাঙ্গুলির সই শিকারে কিংবা কবির সাথে এক পঙ্তিতে ছবি তোলার জন্যে আমাদের যত আকুতি; ততই অনীহা দোকানে বাজারে বাসে ট্রামে পথে ঘাটে বঙ্গলিপির ব্যাপক প্রচলনের উদ্যোগ গ্রহণের মতো গূরুতর প্রসঙ্গে, তার সকাতর অনুরোধে কর্ণপাত করতে। না, আমরা তো আর পিছিয়ে যেতে পারি না যা’তে ইংরেজী হিন্দী বাদ দিয়ে ফিরে যেতে হবে পিছিয়ে পড়তে হবে মাতৃভাষার ব্যপক চর্চায়! সে যতই সাড়ম্বরে আবিশ্ব পালিত হোক না কেন বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস ফেব্রুয়ারীর একুশ তারিখে!
না, মাতৃভাষা বাংলাতে বাঙালির কোনো ভবিষ্যত নেই আর। বাঙালির ভবিষ্যৎ বিশ্বের একনম্বর ভাষা ইংরেজীতেই। তাই খুব যথার্থ ভাবেই না; এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সেই বিশেষ সংবাদপত্রে বিগত দশকেই যুগান্তকারী সেই আহ্বান জানানো হয়েছিল, ‘ইংরাজী হউক বাঙালির মাতৃভাষা’! সত্যিই তো মহামতি গোখেল কবেই না বলে গিয়েছিলেন বাংলা আজ যা ভাবে, ভারতবর্ষ তা কাল ভাবে। মান্যবর আজ জীবিত থাকলে বলতেন, বিশ্ব সুদূর ভবিষ্যতেও যা ভাবতে অক্ষম একমাত্র বাঙালিই তা পূর্বেই ভাবতে সক্ষম! তাই বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস বাঙালির কাছে বাংলাভাষা নিয়ে গর্ব করার দিন নয়, শরীরে উদরস্থ অ্যাপেন্ডিক্সের মতোই অকর্মক ক্রিয়া স্বরূপ বাংলা ভাষা একটি আপদ বালাই মাত্র। বাঙালির বড়ো সৌভাগ্য একুশ বাংলাভাষা দিবস হিসেবে আবিশ্ব স্বীকৃতি পায় নি। সে বড়োই বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়াতো তাহলে!
![]() |
| পরিচিতি |
শ্রীশুভ্র
Reviewed by Pd
on
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৫
Rating:
Reviewed by Pd
on
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৫
Rating:


কোন মন্তব্য নেই:
সুচিন্তিত মতামত দিন