
আলোর উৎসব
দুগ্গিঠাকুরের বাপের বাড়ী ফেরত আসার উৎসব শেষ হতে না হতেই
রোদ্দুরে গা সেঁকতে শুরু করলো আধকাঁচা মাটির প্রদীপ আর বাক্সবন্দী বাজি,
সবুজ পাতার আড়ে উঁকি মেরে সাবালক হয়ে উঠলো দীপাবলীর আয়োজন।
আবার চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই
পেঁয়াজ খোসার মতো নানারঙর আবরনে সেজে
দেখা দিল বাহারী আলোর রোশনাই,
আকাশ ছোঁয়া সবুজ মাঠের প্রান্তে আড়মোড়া ভাঙ্গলো আবার বাঁশের খাঁচা।
ইচ্ছার উজানে মনমাঝি গুনগুনিয়ে ধরলো শ্যামাসঙ্গীতের সুর,
দিনরাতের এই মায়াবী পটভূমিকায় নিতান্ত বেরসিকের মত
স্কুলপড়ুয়ার দল বইয়ের পাতায় মন দিয়ে রচনা খুঁজতে লাগলো,
আলোর উৎসব:দীপাবলি।
সেই আলো আর উৎসবের সমারোহে নিজেকে সামিল করতে,
আড়মোড়া ভেঙ্গে নৈশজাতক চাঁদকে ভুলে,
আদিমতমা মানবীর গন্ধ নিয়ে জেগে উঠলো পাললিক অমাবস্যার রাত।
কানফাটানো শব্দ দূষণ ও কটূগন্ধী বাতাসের সম্ভাবনায়
শিউরে উঠলো আসন্ন সময়,অথচ ছুটে যাওয়া মেঠো রং নদী,
ফুল রঙা আকাশ,জবার কুঁড়ি,নবীন কিশলয়,আলো আঁধারী বন,
আসন্ন শীতর নরম রোদ,ঘরমুখো পাখি,মায়াবতী মেঘ,
এরা কিন্তু সেসব ভুলে ব্যস্ত রইলো উৎসবের আয়োজনে।
মা আসছেন যে, সন্তানের মঙ্গল করতে চিন্ময়ী মা মৃন্ময়ী রূপে
দশদিক আলোয় ভরিয়ে, তমোবৃত প্রাণে আলোর দিশা নিয়ে আসছেন।
কলকাতা ।
মৌ দাশগুপ্তা
Reviewed by Pd
on
নভেম্বর ১৪, ২০১২
Rating:
Reviewed by Pd
on
নভেম্বর ১৪, ২০১২
Rating:
চমৎকার লাগলো আলোর উৎসব --
উত্তরমুছুন