শক্তিশালী
চেষ্টা করি এলো মেলো না হওয়ার-
তাও খুলে যায়
সাংসারিক বন্ধনের সুতো ।
তোমার, আপনার, তার, নানা সম্বোধনে
যত্নে খুঁজি পারিপাট্য ।
গিঁট খুলে যায় ।
জলঙ্গি –খোড়ের স্রোত , লাল মাটি ,
ভরা লিচু গাছ; মধু গুলগুলি আম-
স্বপ্ন দেখে কৈশোরের চোখ।
ছোট ঘরে আতিসয্য
ধূপদানে চেষ্টা জ্বালি রোজ ।
আর তুমি প্রেম আমার ।
পর্দা –ওড়া সাদা আলো প্রেম ।
মায়া হয়ে ফুলদানিতে থাকো
ডিসিপ্লিন মানেবই হাতে।
সিঁড়ি ধরে ধাপে ধাপে কষ্ট করে উঠি
ওপরের আরাম কক্ষ-
গরমের ঠাণ্ডা ,শীতে রোদ ।
রোজ জোর করে খুলে
বুক থেকে ফেলে দিই অধিকার বোধ
রক্তাক্ত হৃদয় ছিঁড়ে ।
বড্ড বেশি দাম।
এত ভাল বাসা যায় ?
সস্তার ডিসকাউণ্টে নেই সেল ?
চৈত্রের গরম , কিংবা পুজোর শিউলির ফাঁকে
একটু যদি আস্তে পারতে নেমে-
একটু সহজ হতে যদি
কিংবা আমি আর একটু সাহসী হলে
ঠিক দেখতে ভেসে গেছি প্রেমে।
ডালপালা
শিশুরা গাছের মত।কষ্ট পায়। নুয়ে পড়ে।
ভাংগে না সহজে।
তবু তো ওদের ই জন্যে সব দিকে আলো
ঘরে ছোট ছোট চটি
হালুম বাঘের গল্প
পেনসিল ছাড়া কি থাকা যায়?
কত রং। কত দোল।
ভালবাসা।সব ফের আসে
আবার ছোটরা আসে তাই।
পুরোনোকে ধাক্কা দিতে
বেয়াড়া সবুজ।
ঝুল টুল ঝরে পড়ে খুস
জীর্ন কাঁচ খসে পড়ে যায়।
জীবনের ঢেউ মেখে বুড়ো চুল
পা ছড়িয়ে বসে থাকে
ভিজে বালিহাঁস দামাল জলের ফেনা
কৈশোর বিষাণে বাজে যুধাজিত প্রানের উল্লাস
বেঁচে- আছি উৎসবের ডাক পড়ে কণায় কণায়।
সোনালী বি মুখার্জী
Reviewed by Pd
on
জুলাই ১১, ২০১৫
Rating:
Reviewed by Pd
on
জুলাই ১১, ২০১৫
Rating:

কোন মন্তব্য নেই:
সুচিন্তিত মতামত দিন